Education and Empowerment
Articles

বাংলা সাহিত্যে ভবা পাগলার গানের প্রাসঙ্গিকতা

আশিস দাস
গবেষক, শিক্ষা বিভাগ, স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়
ডঃ সংঘমিত্রা ঘোষ
অধ্যাপিকা, শিক্ষা বিভাগ, স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়

Published 2025-11-27

Keywords

  • সাহিত্য,
  • সঙ্গীত,
  • ভবা পাগলা

How to Cite

দাস আশিস, and ঘোষ ডঃ সংঘমিত্রা. “বাংলা সাহিত্যে ভবা পাগলার গানের প্রাসঙ্গিকতা ”. Swami Vivekananda University Press, Nov. 2025, pp. 174-83, https://swamivivekanandauniversitypress.com/index.php/svup/article/view/87.

Abstract

মন্দিরনগরী অম্বিকা কালনায় বহু সাধক, মনীষী্, সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তাঁদের কর্মের দ্বারা সমাজ তথা রাষ্ট্র বা দেশকে গর্বিত করেছেন। এমনই এক মহামানবের চরণ স্পর্শে ধন্য এ শহরের মাটি, ধন্য এ দেশের মানুষ, শত শত ব্রহ্মজ্ঞানের জননী ভারতমাতা। এইসব সাধক, সাধু, সন্ত ও ভক্তদের কেউ কেউ যেমন জগৎবিখ্যাত, আবার কেউ বা আছেন পাদপ্রদীপের অন্তরালে। তেমনই একজন সাধক, কবি, গায়ক, শিল্পী, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গানের রচয়িতা হলেন প্রচার বিমুখ শ্রী শ্রী ভবাপাগলা। তিনি বলতেন, “খবরে গেলেই তো গোবরে গেলাম!” তাঁর লৌকিক নাম ভবেন্দ্রমোহন চৌধুরী। মা ডাকতেন ভৈবা, শিষ্য ভক্তরা বলেন পাগল। তিনি ১৯০২ সালের ১৭ই অক্টবর, শুক্রবার জন্মগ্রহণ করেন। ভবাপাগলা ছিলেন সঙ্গীতময়। তাঁর সকল বানী, উপদেশ, দর্শন, চিন্তাভাবনা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমই ছিল সঙ্গীত। তাই তিনি গানের ভাষায় বলেছেন-
“গানই সর্বশ্রেষ্ঠ সাধনা।
লাগে না ফুল চন্দন,
মন্ত্র তন্ত্র লাগে না”
তাঁর গানের মধ্যে ফুটে উঠেছে শাক্ত-পদাবলী, শ্যামাসংগীত, প্রেমরস, দেহতত্ত্ব, সৃষ্টিতত্ত্ব ও সমাজ সংস্কারের দিকগুলি। সাহিত্যের এই দিকগুলি তিনি তাঁর গানের মধ্য দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। ভবা পাগলার সঙ্গীতের মধ্যে সাহিত্যের যে দিকগুলি ফুটে উঠেছে সেগুলি আমার এই নিবন্ধের বিষয়।

DOI - https://doi.org/10.65525/SVUP.9788197403699.2025.174-183